দেশের কাজ
লাইনে দাঁড়ানোর দিন, ঢাকা
বাসস্ট্যান্ড বা টিকিট কাউন্টারে এক সকাল লাইন বানিয়ে দেখানো।
এলাকা
ঢাকা
দরকার
৬ জন
সময়
আনুমানিক ৩ ঘণ্টা
মাত্রা
সহজ
কাজটি সম্পর্কে
ঢাকার বাস ও ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে ধাক্কাধাক্কি নিত্যদিনের দৃশ্য। একটি বাসস্ট্যান্ড, টিকিট কাউন্টার বা সেবাকেন্দ্রে তিন ঘণ্টা দড়ি আর সাইনবোর্ড দিয়ে লাইন তৈরি করে মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে উৎসাহ দেওয়া। বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও শিশুকোলে অভিভাবকদের জন্য আলাদা জায়গা।
কেন জরুরি
ধাক্কাধাক্কিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় দুর্বলদের। লাইনে দাঁড়ানো ছোট অভ্যাস, কিন্তু একবার দেখলে মানুষ নিজেরাই মানে।
কাজ শেষে কী বদলাবে
ছবিতে লাইন দেখা যায়; কর্তৃপক্ষ দড়ি ও সাইনবোর্ড স্থায়ীভাবে রাখতে রাজি।
কারা যোগ দিতে পারেন
যে কেউ; ধৈর্য আর হাসিমুখই যথেষ্ট।
ধাপে ধাপে
- ১হয়েছে
জায়গা ও সময়৩০ মিনিট
- ২হয়েছে
দড়ি ও সাইন৩০ মিনিট
- ৩হয়েছে
তিন ঘণ্টা লাইন রাখা১৮০ মিনিট
হাসিমুখে অনুরোধ, তর্ক নয়।
প্রস্তুতির তালিকা
- দড়ি · ২০ মিটার
কাজ শেষ বলব কখন
- ছবিতে লাইন দেখা যায়
যে প্রমাণ লাগবে: ছবি, ভিডিও
⚠ নিরাপত্তা
তর্কে জড়াবেন না।
খরচের হিসাব
| নাইলনের দড়ি | ২০ মিটার | ৳৮–১৫ |
| দড়ি বাঁধার খুঁটি বা বাঁশের স্ট্যান্ড | ৪টি | ৳৫০–১২০ |
| সাইনবোর্ড: “অনুগ্রহ করে লাইনে দাঁড়ান” ও “প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও শিশুকোলে অভিভাবক” | ২টি | ৳১৫০–৪০০ |
| স্বেচ্ছাসেবকের ভেস্ট | ৬টি | ৳১২০–২৫০ |
| খাবার পানি | ১২ বোতল | ৳২০–৩০ |
| মোট (আনুমানিক) | ৳১,৬০০–৩,৫০০ | |
প্রস্তুতির সময়সূচি
৭ দিন আগে
জায়গা বেছে নিন, ভিড়ের সময় একদিন গিয়ে দেখুন লাইন কোথায় ভাঙে।
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে লিখিত সম্মতি নিন।
৩ দিন আগে
দড়ি, খুঁটি, সাইন ও ভেস্ট কিনুন বা বানান।
কোথায় দড়ি যাবে, তার একটি ছোট নকশা আঁকুন; প্রবীণদের লাইন আলাদা রাখুন।
আগের দিন
স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব ভাগ করুন ও নিয়ম মনে করিয়ে দিন: হাসিমুখ, তর্ক নয়, কাউকে ছোঁয়া নয়।
জায়গার কর্মীদের সঙ্গে সময় নিশ্চিত করুন।
কাজের দিন
ভিড় শুরুর আগেই দড়ি ও সাইন বসান।
তিন ঘণ্টা লাইন ধরে রাখুন; শুরু ও শেষের ছবি ও ছোট ভিডিও নিন।
পরের সপ্তাহে
কর্তৃপক্ষকে দড়ি ও সাইন স্থায়ীভাবে রাখার অনুরোধ জানান।
একদিন গিয়ে দেখুন লাইন নিজে থেকে টিকছে কি না।
দলে কে কী করবেন
- দলপ্রধান ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ (১): কর্মীদের সঙ্গে কথা, ঝামেলা হলে সামলানো। — ____________
- লাইনের মাথায় (২): কাউন্টারের সামনে একে একে পাঠানো। — ____________
- লাইনের শেষে (২): নতুন আসা মানুষকে বিনয়ের সঙ্গে শেষে দাঁড়াতে বলা। — ____________
- প্রবীণদের লাইন ও ছবি (১): প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের সাহায্য, ছবি ও ভিডিও। — ____________
কাজের দিনের সূচি
- 06:30জড়ো হওয়া, ভেস্ট পরা, দায়িত্ব মনে করিয়ে দেওয়া।
- 06:45দড়ি, খুঁটি ও সাইন বসানো।
- 07:00লাইন শুরু; শুরুর ছবি।
- 08:30পালা বদল ও পানি বিরতি, এক এক করে।
- 10:00শেষের ছবি ও ছোট ভিডিও; লাইন তখনও আছে কি না।
- 10:15কর্মীদের ধন্যবাদ; দড়ি রেখে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া।
- 10:30নিজেদের মধ্যে কী শিখলাম, পাঁচ মিনিট।
যা ভুল হতে পারে, তখন কী করবেন
- কেউ লাইন ভেঙে তর্ক শুরু করা → একবার বিনয়ের সঙ্গে বলুন, তারপর সরে আসুন; জায়গার কর্মীকে ডাকুন। কাউকে ধরবেন না।
- ভিড় চাপ দিয়ে দড়ি ছিঁড়ে ফেলা → দড়ি ছেড়ে দিন, মানুষকে আহত হতে দেবেন না; ভিড় কমলে আবার বসান।
- গরম ও রোদ → পালা করে বিশ্রাম, পানি ও টুপি।
দরকারি ফোন নম্বর
- 999জাতীয় জরুরি সেবা: পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স (বিনা খরচে)
সাধারণ প্রশ্ন
- পুরো সময় থাকতে না পারলে কি যোগ দেওয়া যাবে?
- হ্যাঁ। যোগ দেওয়ার অনুরোধে লিখে দিন কোন ধাপে বা কোন সময়ে পারবেন। দলপ্রধান সেই ধাপটি আপনার নামে দেবেন।