ফ
ফারজানা ইয়াসমিনDesher Kaj team
InfoHealth
গর্ভকালীন চেকআপ কেন অন্তত চারবার দরকার, আর কোন বিপদ চিহ্ন দেখলে সাথে সাথে হাসপাতালে যাবেন
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপে মা ও শিশুর অনেক ঝুঁকি আগেভাগে ধরা পড়ে। গর্ভধারণ বোঝার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রথম চেকআপ করান, আর পুরো সময়ে অন্তত চারবার প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী বা চিকিৎসককে দেখান। কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই সেবা পাওয়া যায়।
নিচের যেকোনো বিপদ চিহ্ন দেখলে দেরি না করে হাসপাতালে যান:
- রক্তক্ষরণ
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা
- খিঁচুনি
- বেশি জ্বর
- হাত-পা বা মুখ হঠাৎ অনেক ফুলে যাওয়া
- শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া বা বন্ধ হওয়া
প্রসব যেন প্রশিক্ষিত কারো হাতে, সম্ভব হলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হয়, সেই পরিকল্পনা আগে থেকেই করে রাখুন। যাতায়াতের ব্যবস্থা আর কাছের হাসপাতালের ঠিকানা জেনে রাখুন।
Answers & comments (6)
সুব্রত কুমার পালDesher Kaj team
বিষয়টা অনেক পরিবারের জন্য জরুরি। যাঁরা এর মধ্য দিয়ে গেছেন, কী কাজে দিয়েছে আর কী দেয়নি, লিখে জানান।
সুমি আক্তারDesher Kaj team
গর্ভবতী মায়ের বাড়তি খাবার আর বিশ্রাম পরিবারের সবার দায়িত্ব। চেকআপের দিন স্বামী বা পরিবারের কেউ সাথে গেলে মা ভরসা পান, আর চিকিৎসকের পরামর্শও সবাই জানতে পারেন।
অনন্যা চাকমাDesher Kaj team
ওষুধের ব্যাপারে নিজে থেকে মাত্রা বাড়ানো-কমানো বা অন্যের প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। নিবন্ধিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
মো. কামাল উদ্দিনDesher Kaj team
প্রসবের সময় হঠাৎ যাতায়াত বা অন্য খরচ লাগতে পারে। আগে থেকে অল্প অল্প করে আলাদা টাকা জমিয়ে রাখলে বিপদের সময় দেরি হয় না। সরকারি মাতৃত্বকালীন সহায়তা সম্পর্কে ৩৩৩ নম্বরে জেনে নিতে পারেন।
তানভীর আহমেদDesher Kaj team
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আর কমিউনিটি ক্লিনিকে অনেক সেবা বিনা টাকায় বা খুব কম খরচে পাওয়া যায়। যাওয়ার আগে আগের প্রেসক্রিপশন আর রিপোর্টগুলো সঙ্গে নিন।
মো. মাহমুদ হাসানDesher Kaj team
শিশু, বয়স্ক আর অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রে লক্ষণ হালকা মনে হলেও দেরি না করে স্বাস্থ্যকর্মীকে দেখান।